রাঙামাটির লংগদু উপজেলায় এক মেয়েকে ধর্ষণের অভিযোগে তার সৎ বাবা এবং ধর্ষণের চেষ্টার অভিযোগে এক প্রতিবেশী যুবককে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।
সোমবার (২২ সেপ্টেম্বর) রাতে উপজেলার আটারকছড়া ইউনিয়নের ১ নম্বর ওয়ার্ডের ডানে আটারকছড়া এলাকায় পৃথক অভিযান চালিয়ে পুলিশ তাদের গ্রেপ্তার করে।
গ্রেপ্তারকৃতরা হলো—ডানে আটারকছড়া এলাকার মৃত এরফান উদ্দীন চৌধুরীর ছেলে অভিযুক্ত সৎ বাবা ফজলুল হক চৌধুরী (৬৫) এবং একই এলাকার জামাল উদ্দীনের ছেলে প্রতিবেশী যুবক শহিদুল (২৩)।
স্থানীয় ও পুলিশ সূত্রে জানা যায়, ভুক্তভোগী কিশোরী তার মায়ের সঙ্গে আটারকছড়া ইউনিয়নের ১ নম্বর ওয়ার্ডে সৎ বাবা ফজলুল হক চৌধুরীর বাড়িতেই বসবাস করে আসছিল। গত সপ্তাহে ঘরে একা থাকার সুযোগে ফজলুল হক মেয়েটিকে জোরপূর্বক ধর্ষণ করে। এরপর থেকে বিভিন্ন সময় ভয়ভীতি দেখিয়ে ধারাবাহিকভাবে মেয়েটির ওপর নির্যাতন ও ধর্ষণ চালিয়ে আসছিল বলে অভিযোগ ওঠে।
পরবর্তীতে ঘটনাটি জানাজানি হলে প্রতিবেশী যুবক শহিদুলও সুযোগ কাজে লাগিয়ে মেয়েটিকে ধর্ষণের চেষ্টা চালায়। স্থানীয় জানাজানি হলে এলাকাবাসীর সহায়তায় পুলিশকে খবর দেওয়া হয়। খবর পেয়ে পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে দুজনকে আটক করে থানায় নিয়ে যায়।
ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে লংগদু থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) জাকারিয়া জানান, দীর্ঘদিন ধরেই ভুক্তভোগী সঙ্গে এ ধরনের নির্মম ঘটনা ঘটে আসছিল। বিষয়টি জানাজানি হলে এলাকার কিছু যুবকও মেয়েটির পিছু নেয় এবং সুযোগ নেওয়ার চেষ্টা করে। খবর পাওয়ার পরপরই লংগদু থানা পুলিশের একটি দল অভিযুক্ত সৎ বাবা ও ধর্ষণচেষ্টাকারী প্রতিবেশী যুবককে গ্রেপ্তার করেছে। প্রয়োজনীয় আইনি প্রক্রিয়া শেষে আসামিদের আদালতে প্রেরণ করা হচ্ছে।
সোমবার (২২ সেপ্টেম্বর) রাতে উপজেলার আটারকছড়া ইউনিয়নের ১ নম্বর ওয়ার্ডের ডানে আটারকছড়া এলাকায় পৃথক অভিযান চালিয়ে পুলিশ তাদের গ্রেপ্তার করে।
গ্রেপ্তারকৃতরা হলো—ডানে আটারকছড়া এলাকার মৃত এরফান উদ্দীন চৌধুরীর ছেলে অভিযুক্ত সৎ বাবা ফজলুল হক চৌধুরী (৬৫) এবং একই এলাকার জামাল উদ্দীনের ছেলে প্রতিবেশী যুবক শহিদুল (২৩)।
স্থানীয় ও পুলিশ সূত্রে জানা যায়, ভুক্তভোগী কিশোরী তার মায়ের সঙ্গে আটারকছড়া ইউনিয়নের ১ নম্বর ওয়ার্ডে সৎ বাবা ফজলুল হক চৌধুরীর বাড়িতেই বসবাস করে আসছিল। গত সপ্তাহে ঘরে একা থাকার সুযোগে ফজলুল হক মেয়েটিকে জোরপূর্বক ধর্ষণ করে। এরপর থেকে বিভিন্ন সময় ভয়ভীতি দেখিয়ে ধারাবাহিকভাবে মেয়েটির ওপর নির্যাতন ও ধর্ষণ চালিয়ে আসছিল বলে অভিযোগ ওঠে।
পরবর্তীতে ঘটনাটি জানাজানি হলে প্রতিবেশী যুবক শহিদুলও সুযোগ কাজে লাগিয়ে মেয়েটিকে ধর্ষণের চেষ্টা চালায়। স্থানীয় জানাজানি হলে এলাকাবাসীর সহায়তায় পুলিশকে খবর দেওয়া হয়। খবর পেয়ে পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে দুজনকে আটক করে থানায় নিয়ে যায়।
ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে লংগদু থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) জাকারিয়া জানান, দীর্ঘদিন ধরেই ভুক্তভোগী সঙ্গে এ ধরনের নির্মম ঘটনা ঘটে আসছিল। বিষয়টি জানাজানি হলে এলাকার কিছু যুবকও মেয়েটির পিছু নেয় এবং সুযোগ নেওয়ার চেষ্টা করে। খবর পাওয়ার পরপরই লংগদু থানা পুলিশের একটি দল অভিযুক্ত সৎ বাবা ও ধর্ষণচেষ্টাকারী প্রতিবেশী যুবককে গ্রেপ্তার করেছে। প্রয়োজনীয় আইনি প্রক্রিয়া শেষে আসামিদের আদালতে প্রেরণ করা হচ্ছে।
অনলাইন ডেস্ক